বাংলাদেশের প্রবাদ পুরুষ এবং বিশ্ব বরেন্য ধনকূবের ড. মূসা বিন শমশের এর ৭৬ তম জন্মদিন

মূসা বিন শমসের

আজ ১৫ই আক্টোবর, বৃহস্পতিবার, ২০২০ ইংরেজী, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অস্ত্র ব্যবসায়ী, খ্যাতনামা প্রতিরক্ষা কৌশলী, বিশ্বে বিখ্যাত স্টাইল আইকন, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ড্রেসড ম্যান এবং সমাদৃত বিজনেস টাইকুন ড. মূসা বিন শমশের (প্রিন্স মূসা) এর ৭৬তম জন্মদিন।

ড. মূসা, যিনি বয়সকে হার মানিয়ে ধরে রেখেছেন ঈর্ষনীয় তারুন্য, পৃথিবীর বহু দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে মাথা উচু করে দাড়াতে তাদের অকাতরে সহযোগিতা করেছেন।

১৯৪৫ সালের এই দিনে ফরিদপুর জন্ম গ্রহণ করেন বিশ্ববিখ্যাত সেলফ মেইড ফ্যাশন আইকন, প্রতিরক্ষা সরজ্ঞাম ব্যবসার প্রবাদপুরুষ এবং আধুনিক সভ্যতার দিশারী এই মহামানব। পরবর্তীতে যিনি হয়ে উঠেন এশিয়ার সবচেয়ে সম্পদশালী ও ক্ষমতাবান ব্যাক্তি। তার এই স্বপ্নসম সাফল্য যাত্রায় যেমন বিপুল অর্থ-ঐশ্বর্য অর্জন করেন তিনি, তেমনি গড়ে তোলেন এক বিশাল ভক্তকুল।

এই কিংবদন্তী ব্যাক্তিত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বড় বড় শহরে তার জন্মদিন পালন করবেন অগণিত ভক্ত ও বন্ধু-স্বজন। এদের মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন দেশের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও সমাজের উচ্চ শ্রেণীর ব্যাক্তিবর্গ যারা প্রিন্স মূসাকে আধুনিক সভ্যতার বরপুত্র হিসাবে গণ্য করেন।

বিশ্ব বরেণ্য ধনকূবের ও বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামরিক কৌশলবিদ ও বিশ্বের আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পথিকৃৎ, যিনি দেশ ও আন্তর্জাতিক ভাবে সমাদৃত ও সম্মানিত, তিনি আধুনিক বিশ্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত। পাশাপাশি এটাও সর্বজনবিদিত সত্য যে, ড. মূসা বিন শমশের এক অবিসংবাদিত কিংবদন্তি, বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি ও অর্থনৈতিক মুক্তির জনক। ড. মূসা বিন শমশের বাংলার সেই সূর্যসন্তান যিনি উজ্জ্বল এক নক্ষত্র হয়ে দেখা দিয়েছিলেন এই জাতির ভাগ্যাকাশে, চিরতরে বদলে দিয়েছিলেন বাঙ্গালী জাতির ভবিষ্যৎ। তিনি যুদ্ধ বিধ্বস্ত বংলাদেশের ভাগ্য প্রবর্তক ও কোটি কোটি মানুষের স্বপ্নপূরণকারী ও বিস্ময়কর এক স্বপ্নদ্রষ্টা ও সফল পথ প্রদর্শক। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ, বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণ ও দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির সনদ। প্রবাসীদের পাঠানো এই অর্থের উপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে দেশের অর্থনীতি। আর যার অবিস্মরনীয় মেধা, অক্লান্ত পরিশ্রম ও একক ভাবে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশীদের জন্য শ্রমবাজার সৃষ্টি করেছেন, যার হাত ধরে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ শুরু হয়, যার দীর্ঘমেয়াদী অভূতপূর্ব বলিষ্ঠ উদ্যোগের ফলশ্রুতিতে দেশে আজ বৈদেশিক মুদ্রার রেকর্ড পরিমান রিজার্ভ এবং প্রবাসীদের পাঠানো অর্থে আজ গ্রাম গঞ্জে প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই পাকা বিল্ডিং তৈরী হয়েছে। যার সর্ম্পূণ কৃতিত্ব ড. মূসা বিন শমশেরের এই কারণে তাঁকে আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি বলা হয়ে থাকে। যার ঋনের বোঝা বইতে হবে এই জাতিকে অনন্তকাল।