Sat. Dec 14th, 2019

ফরিদপুরে ব্রান্ডিং মেলার উদ্বোধন করলেন ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ এমপি

নিজস্ব সংবাদদাতা, ফরিদপুর টাইমস:
এলজিআরডি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, পরিবেশগত ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনা করে সারা বিশ্বে প্যাকেটজাত দ্রব্য হিসেবে পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ জন্য বিশ্ব আবারো পাটের চাহিদা বেড়েছে। পাট এখন শুধু বাংলাদেশেরই নয়, সারা বিশ্বের পণ্য।
শনিবার বিকেলে ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে মাসব্যাপী ব্রান্ডিং মেলার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, সোনালি আঁশ হিসেবে আমাদের দেশের পাট সারা বিশ্বেসমাদৃত। স্বাধীনতার আগে সারা পাকিস্তানের ৭০ ভাগ বৈদেশিক মুদ্রা আসত পাট থেকে। পাটের কিছুই ফেলনা নয়। পাটশাক পুষ্টিমানসমৃদ্ধ। পাটশাক দিয়ে ইদানীং চা তৈরি করা হচ্ছে। পাটখড়ি পুড়িয়েও মূল্যবান কালি তৈরি হচ্ছে।
নিজের পরিধেয় কোর্টটিও পাটের পণ্য উল্লেখ করে ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, শিগগিরই পাটের তৈরি শাড়িও পাওয়া যাবে। প্যাকেটিং পণ্য হিসেবে পাট এখন অপরিহার্য সারা বিশ্বে। আমাদের দেশের এ পাটই সারা বিশ্বের সেরা।
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো স্বাগত বক্তব্য দেন মেলা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আসলাম মোল্লা। বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার আলিমুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবলচন্দ্র সাহা, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম খন্দকার লেভী ও চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ফরিদপুরের সভাপতি জাহাঙ্গির মিয়া (সিআইপি)। এ সময় মঞ্চে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মৃধা, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী বরকত ইবনে সালাম, জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আক্কাস হোসেন, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক এ এইচ এম ফোয়াদ, ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেল উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজক সূত্র জানায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। ফরিদপুরের ব্র্যান্ডিং পণ্য পাট ও পাটজাত বিভিন্ন দ্রব্যের স্থানীয় ও বৈদেশিক বাজার সৃষ্টি করে পাটকে বিশ্বে সমাদৃত করাই এ মেলার লক্ষ্য। মেলায় ১২০টি বিভিন্ন ধরনের স্টল রয়েছে। মেলায় প্রবেশমূল্য ১০ টাকা। প্রতিদিন সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও ব্যবস্থা রয়েছে।