July 6, 2020

ঝিলটুলীর ঝিল ভরাটে আদালতে নিষেধাজ্ঞা

আহম্মদ ফিরোজ, ফরিদপুর টাইমস:
অবশেষে ঝিলটুলীর ঝিল ভরাটে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত।

ফরিদপুরের সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ নাঈম ফিরোজ এ সংক্রান্ত আদেশ সংশ্লিষ্টদের হাতে পৌছানের পর ঝিল ভরাটের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, ফরিদপুর মৌজার আরএস ৯৪৯ নং দাগে অবস্থিত এই ঝিলের একটি অংশের মালিকানা দাবি করে সরকারী রাজেন্দ্র কলেজের পক্ষে কলেজ অধ্যক্ষ বাদি হয়ে জনৈক নিরঞ্জন রায় ও আসিকুল হক সহ অন্যান্যদের বিবাদী করে ফরিদপুরের সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে একটি মোকদ্দমা দায়ের করেন। দেওয়ানী মোকদ্দমা নং-১৬৫/২০১৭ ইং। বিচারাধীন ওই মোকদ্দমাটির নিস্পত্তি এখনও হয়নি। এ অবস্থাতে রাজেন্দ্র কলেজের ছাত্রীনিবাসের প্রাচীর নির্মাণের জন্য ঝিলটি ভরাট করে ফেলার উদ্যোগ নেয়া হয়।

ওই মামলার অন্যতম বিবাদী আসিকুল হক বলেন, গত ১ জুন থেকে শত শত ট্রাক বালি এনে ঝিলটি ভরাট শুরু হলে তারা আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালত উভয়পক্ষের শুনানী শেষে গত ১৪ জুলাই ঝিলটি ভরাটের উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন। গত সোমবার বিকেলে তারা ওই আদেশের অনুলিপি হাতে পান।

ফরিদপুরের শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান শওকত বলেন, আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত আদেশের কপি পেয়েছি। আদালতের আদালতের নিষেধাজ্ঞা জানার পরে কাজ বন্ধ রেখেছি। রাজেন্দ্র কলেজের ছাত্রীনিবাসের জন্য ওই ঝিল ভরাট করা হচ্ছিলো বলে তিনি জানান।

প্রসঙ্গত, ফরিদপুর টাইমস সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও মিডিয়ায় শহরের গুরুত্বপূর্ণ ঝিলটুলীর এই ঝিল ভরাট সংক্রান্ত বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। শহরের পানি নিস্কাশনের এই জলপথটি ভরাট হওয়ার খবরে জনমনে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

Please follow and like us
error0
Tweet 20
fb-share-icon20