Mon. Oct 14th, 2019

প্রতিবন্ধীদের ভাতা নিয়ে ঘোষপুর ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব সংবাদদাতা, ফরিদপুর টাইমস:

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নে প্রতিবন্ধীদের ভাতা আত্মসাতের ব্যাপারে যে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে তা সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ইউনিয়ন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রকাশ কুমার বিশ্বাস, ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ফুল মিয়া, ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার গোলাম রসুল, ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার কামরুল ইসলাম, ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার নান্নু মিয়া, ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার হাকিম খালাসী, সংরক্ষিত নারী সদস্য অপু সরকার, মনোয়ারা বেগম, আলেয়া বেগমসহ ভাতাপ্রাপ্ত সুবিধাভোগীগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে ঘোষপুর ইউনিয়নে প্রতিবন্ধীদের ভাতা আত্মসাতের অভিযোগে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত ওই খবরের প্রতিবাদ করেন সংশ্লিষ্ঠ ইউপি মেম্বার ও চেয়ারম্যান।

৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য অপুর সরকার বলেন, তার বরাত দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানকে প্রতিবন্ধী ভাতার ৩৬শ’ টাকা প্রদানের যে অভিযোগ উঠেছে তা সঠিক নয়। দীপক গোলদারকে আমি পুরো টাকাই দিয়েছি।

তিনি দাবি করেন, এলাকার একটি শিশু নির্যাতনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মহল আমার উপর অশুভ চাপ সৃষ্টি করেছে। আমি সেই চাপে পরে তখন ভুল বিবৃতি দিয়েছিলাম। প্রকৃতপক্ষে চেয়ারম্যান সাহেব এই ভাতার টাকা উত্তোলনের ব্যাপারে কিছু জানেন না।

৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার কামরুল ইসলাম বলেন, সমাজসেবা অফিস থেকে ভাতার বই পাওয়ার পর চেয়ারম্যানের নিকট থেকে সেসব বই সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্টদের দিয়ে দেয়া হয়েছে। এখানে চেয়ারম্যান সাহেবের কোন ভূমিকা নেই।

বোয়ালমারীর সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রকাশ কুমার বিশ্বাস বলেন, সবমিলিয়ে ৩০টি বই ঘোষপুর ইউনিয়নে বরাদ্দ হয়েছে। এরমধ্যে ২২টি বই ইউপি চেয়ারম্যানের এবং বাকি আটটি উপজেলা চেয়ারম্যানের মনোনীত ব্যক্তিদের নামে। ঈদের মাত্র একদিন আগে বইগুলো পাওয়া গেছে তাই সময়মতো সেগুলো হয়তো সুবিধাভোগীদের হাতে পৌছেনি।

বোয়ালমারীর ঘোষপুর ইউপি চেয়ারম্যান এসএম ফারুক হোসেন বলেন, ইউপি ও উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমাদেরই দলের মধ্যে থাকা একটি গ্রুপ আমার বিরুদ্ধে লেগেছে। তাই বিভিন্ন জায়গায় ভুল তথ্য সরবরাহ করে নানাভাবে আমাকে হেউ করে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করছে প্রতিপক্ষ। যার সাথে আমার কোনই সংশ্লিষ্টতা নেই।

অবশ্য মাঠ পর্যায়ে প্রতিবন্ধী ভাতা নিয়ে দু’একটি অভিযোগ তিনি শুনেছেন জানিয়ে বলেন, যদি এসব অভিযোগ সত্য হয় তাহলে যারা দোষি তাদের শাস্তি হবে। গরিবের হক কাউকে লুট করতে দেবো না।