জেলা পরিষদে সার্ভেয়রদের পদোন্নতি না হওয়ায় ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর টাইমস: [১১ এপ্রিল ২০১৯ বৃহস্পতিবার]

বার্তাবাহক থেকে প্রধান প্রকৌশলী সকল পদের পদধারীদের পদোন্নতি হলেও সার্ভেয়র পদধারীদের কখনোই পদোন্নতি হয়না জেলা পরিষদে। একই প্রতিষ্ঠানে চাকরী করে এমন বৈষম্যের শিকার হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে তাদের মাঝে।

জানা গেছে, জেলা পরিষদের ১৯৯০ ম্যানুয়ালে সার্ভেয়র পদটি এলজিইডি হতে প্রেষণে নিয়োগের বিধান থাকলেও ২০০৬ সালের ১৬ জানুয়ারি প্রকাশিত প্রজ্ঞাপণে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সার্ভে ইনষ্টিটিউট হতে চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমাধারীদের সরাসরি নিয়োগের বিধান রাখা হয়। কিন্তু সার্ভেয়রদের পদোন্নতির বিষয়ে কোন বিধান রাখা হয়নি। একারণে অন্যান্য দপ্তরের সার্ভেয়রদের পদোন্নতি হলেও দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত রয়েছেন জেলা পরিষদে কর্মরত সার্ভেয়রগণ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পৌরসভায় চাকুরীরত একজন সার্ভেয়র ৫ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকলে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতির যোগ্য হচ্ছেন। তেমনি এলজিইডি সহ অন্যান্য দপ্তরগুলোতেও সার্ভেয়রগণ পদোন্নতি পেয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী হতে পারেন। কিন্তু জেলা পরিষদে সেই সুযোগ নেই বলেএলজিইডি থেকে প্রেষণে এনে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর পদের কাজ চালানো হচ্ছে। অথচ পদোন্নতির ব্যবস্থা থাকলে জেলা পরিষদ থেকেই এ পদে নিয়োগ পেতো অভিজ্ঞরা। অন্যান্য দপ্তরের সার্ভেয়রগণ পদোন্নতি পেয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী হতে পারলেও জেলা পরিষদের সার্ভেয়রগণ যোগ্যতা থাকা সত্বেও কেন পদোন্নতি পাবেন না এটিই এখানকার কর্মরতদের প্রশ্ন।

ফরিদপুর জেলা পরিষদের সার্ভেয়র মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, জেলা পরিষদের বার্তাবাহক থেকে প্রধান প্রকৌশলী সব পদেই পদোন্নতির বিধান আছে শুধু সার্ভেয়র পদ ব্যতিত। এই বৈষম্য কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। যোগ্যতা থাকার পরেও জেলা পরিষদের সার্ভেয়রগণ ১২ থেকে ১৫ চাকরী করেও পদোন্নতি বঞ্চিত রয়েছেন। এ বিষয়ে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন তারা।