বিশ্বের অন্যতম অস্ত্র ব্যবসায়ী ও ধনকূবের ড. মূসা বিন শমশেরের ৯৬ হাজার কোটি টাকা সুইস ব্যাংক থেকে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগ

ফরিদপুর টাইমস রিপোর্ট: (২৭ মার্চ ২০১৯ বুধবার)

সুইস ব্যাংকে ড. মূসা বিন শমশেরের জমাকৃত/জব্দকৃত ৯৬ হাজার কোটি টাকা ফিরিয়ে আনতে স্বয়ং বাংলাদেশের সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। ভারতের বহু ভাষার মর্যাদা সম্পন্ন বার্তা সংস্থা ইউনাইটেড নিউজ অব ইন্ডিয়া (ইউএনআই) ২০ মার্চ গুরুত্ব সহকারে সংবাদটি প্রকাশ করেছে।

বার্তা সংস্থাটি লিখেছে, বাংলাদেশ সরকার উক্ত টাকা ফেরৎ আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল এই বার্তা সংস্থাকে বলেন, এ ব্যাপারে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমস্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের সূত্রে আমি জানতে পারি যে, বাংলাদেশী ধনকূবের ও বিশ্বের অন্যতম অস্ত্র ব্যবসায়ী ড. মূসা বিন শমশের এককভাবে সুইস ব্যাংকে ৯৬ হাজার কোটি টাকা জমা করেন। এই টাকা দেশে ফেরৎ আনা গেলে বাংলাদেশ নানা ভাবে উপকৃত হবে।

এদিকে ড. মূসা বিন শমশের ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ ও পাকিস্তানি গোয়েন্দ সংস্থা আইএসআই’এর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়ে আছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবারের সদস্য ও আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের তিনি একাধিকবার ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ ও পাকিস্তানের আইএসআই’এর হত্যা পরিকল্পনা সফল ভাবে নস্যাৎ কারার কারণে এই গোয়েন্দা সংস্থাগুলি ড. মূসাকে হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে রেখেছে। মোসাদ ও আইএসআই’এর হামলার আশংকায় ড. মূসা দীর্ঘদিন দেশের বাইরে যেতে পারছেন না। বাংলাদেশেই তার নিরাপত্তা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ড. মূসার অফিস থেকে বনানী থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করা হয়েছে।

বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানীতে ড. মূসা অগ্রদূত। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান তাকে জনশক্তি রপ্তানীর ক্ষেত্রে উদ্ভুদ্ধ করেন এবং পরবর্তিতে মূসা বিন শমশের এই খ্যাতের জনক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। উল্লেখ্য ড. মূসা বাংলাদেশে জনশক্তি রপ্তানীর পথিকৃৎ এবং এর আগে বাংলাদেশে কেউ এই ব্যবসার প্রক্রিয়া শুরু করেননি। বাংলাদেশ বিনির্মাণে তার অবদান প্রাতঃস্মরনীয়। ড. মূসা বলেন, জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের সদস্যদের জীবন রক্ষা তার নৈতিক দায়িত্ব।

ড. মূসা বলেন, তিনি এবং তার টিম শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের জীবন রক্ষায় মোসাদ ও আইএসআই’এর বহু আক্রমন ও পরিকল্পনা সফল ভাবে নসাৎ করেছি বিধায় ঐ গোয়েন্দা সংস্থাগুলি আমার প্রতি যারপরনাই ক্ষুব্ধ। তারা আমার জীবনকে যেকোন উপায়ে বিপন্ন করতে সচেষ্ট।