ভয়ংকর দুর্যোগ ও মহা প্রলয় থেকে রক্ষা পেলো বাংলাদেশ ও গোটা আওয়ামী পরিবার

ফরিদপুর টাইমস ডেস্ক: (১৬ জানুয়ারী ২০১৯ শনিবার)
বৃটিশ সাংবাদিক জনাথন ব্রাইটের এক প্রতিবেদনের সূত্র ধরে ভারতীয় পত্রিকায় একটি ভয়ংকর পরিকল্পনার খবর বেরিয়েছে সম্প্রতি। এতে দাবি করা হয়েছে যে, ইহুদি দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা মোশাদ ও পাকিস্তানের ভয়ংকর গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই বাংলাদেশকে এক বিরাট বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে ভয়ংকর পরিকল্পনা হতে নিয়েছিলো। তবে সেটি নস্যাৎ হয়ে গেছে। ভারতের United news of Indiaপূবের কলম পত্রিকায় এখবর প্রকাশিত হয়। পাঠকের জন্য পূবের কলম পত্রিকায় বাংলা ভাষায় প্রকাশিত খবরটি হুবহু তুলে ধরা হলোঃ

বাংলাদেশ রক্ষা পেলো মহা ভয়ংকর এক প্রলয় থেকে। এমই এক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে বৃটিশ সাংবাদিক জনাথন ব্রাইট। লন্ডনভিত্তিক এক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইহুদি দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা মোশাদ এর ডাইরেক্টর ইয়োশী কোহেন পাকিস্তানের ভয়ংকর গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এ প্রধান লেফট্যানেন্ট জেনারেল নাভিদ মোক্তারের নেতৃত্বে গ্রীস এ ফ্লাগধারী একটি জাহাজ (কিন্তু সেটা ছিলো মধ্যপ্রাচ্যের একটি বিশেষ শিপিং লাইন্সের পুরানো জাহাজ) যা ৬০ হাজার টন মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র সহ তার মধ্যে FN FAL Gun (5000 unit), Uzi Gun (30,000 unit), M4 Carbine Gun (10,000 unit), AK-47 Gun (50,000 unit), AS50 Gun (10,000 unit) & Tracking Pint Guns (30,000), গ্রেনেড, মাইন্স ছিলো অগণিত। এসব অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশের পথে রওয়ানা হয়েছিলো। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, তার পরিবার এবং বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দকে হত্যার মহা পরিকল্পনা ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনকে ভন্ডুল করে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য বাংলাদেশের পথে রওয়ানা হয়। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ নেভি, কোস্টগার্ড ও বিএনপির ভিতরে মোসাদ ও আইএসআই এর কমপক্ষে ৭ হাজার এজেন্ট নিয়োজিত আছে এবং কমপক্ষে ৩০ হাজার ক্যাডার (অবসরপ্রাপ্ত ও বিতাড়িত) সৈনিক ও অন্যান্যরা। এতসব অস্ত্রের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর সেটা ছিলো বিশ্বের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মারাত্মক অস্ত্র (EMP Electromagnetic pulse) যার এতো কার্যক্ষমতা ওই জাহাজ থেকে যদি সেটা ঢাকার উপর ছোড়া হয় তাহলে ৫০ হাজার মাইল উপর থেকে ৩ মিনিটের মধ্যে সমস্ত ঢাকা ও তার আশেপাশে ধুলিস্যাৎ করে দিতো। কিন্তু জঘন্য ও বিভৎস এই পরিকল্পনাটি আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসায়ীদের একটি দল তাদের সহযোগীদের নিয়ে বানচাল করে দিয়েছে। সোমালিয়ান জলদস্যুদের দিয়ে জাহাজটি তারা ডুবিয়ে দিয়েছে এবং জাহাজের সমস্ত নাবিক এবং সৈনিকদেরকে নিঃশব্দে হত্যা করা হয়েছে। কেউ আর বেঁচে নেই। এই একটাই কারণে বিএনপির সমস্ত তর্জন গর্জন শেষ হয়ে গেছে। এই ভয়ংকর আক্রমন থেকে রক্ষা পেলো গোটা বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণ। এই সর্বনাশা পরিকল্পনাকে নস্যাৎ করতে সমস্ত সহায়তা করেছে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কয়েকজন অস্ত্র ব্যবসায়ী। যার নেপথ্য থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বিশ্বের এক ভয়ংকর অস্ত্র ব্যবসায়ী ধনকূবের। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের পাকিস্তানের হাই কমিশনার সমস্ত কিছুই জানতেন। কারণ পাকিস্তানের আইএসআই এর একমাত্র এজেন্ডা ১৯৭১ সারের নির্লজ্জ পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়া। তবে বিএনপির প্রথম সারির নেতাদের অজানা। যার সম্পূর্নটাই পরিচালনা হতো লন্ডন থেকে।